বিরহী কবি মাজেদুল হক: ছন্দ, সৃজনশীলতা ও জীবনবোধের গল্প।

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: অক্টোবর ২৬, ২০২৬

মাজেদুল হক “বিরহী কবি” উপাধিতে সমধিক খ্যাত ও সমাদৃত। 

জন্মতারিখ – ১৯৭৭ খ্রীস্টাব্দে ৩ জুলাই (১৯আষাঢ়)। 

জন্মস্থান – বাংলাদেশের নেত্রকোণা জেলার সদর উপজেলায় পাটলী গ্রামে সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। 

পিতা – এস এম কিতাব আলী, মাতা – বেগম আয়েশা খাতুন। 

লেখালেখি শুরু – কিশোর বয়স থেকে কবির লেখালেখির হাতেখড়ি, বি এ অধ্যয়নরত সময়ে তাঁর প্রথম লেখা পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং এখনও নিয়মিত স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছে বিরহী কবির লেখা। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে কর্মরত কবির কর্মব্যস্ত জীবন তারপরেও সময় সুযোগে চালিয়ে যাচ্ছেন কবির সৃজনশীল লেখনী। 

কবি মাজেদুল হকের কবিতা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার আবৃত্তি শিল্পী নিয়মিত আবৃত্তি করছেন এবং সুদূর ভারতের অনেক সুনামধন্য আবৃত্তি শিল্পী আবৃত্তি করেছেন কবির কবিতা তাই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সাহিত্য অঙ্গনে বিরহী কবি হয়েছেন সমাদৃত। 

বিরহী কবি উপাধি – ২০২২ খ্রীস্টাব্দে কলম একাডেমি লন্ডন ও কলম টিভি’র প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক নজরুল ইসলাম হাবিবী একাডেমির পক্ষ থেকে কলম টিভি’র আলোচনা অনুষ্ঠানে সাহিত্যে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ এবং তাঁর সাহিত্য চিন্তার আলোকে কবি মাজেদুল হককে “বিরহী কবি” উপাধিতে ভূষিত করেন। 

সেরা ছড়াকার সম্মাননা – ২০১৭ খ্রীস্টাব্দে নেত্রের আশা ও মুক্তির আশা পত্রিকার যৌথ উদ্যোগে ছড়া প্রতিযোগিতায় “সেরা ছড়াকার” নির্বাচিত হওয়ায়, নেত্রকোণা জেলা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত জনসমাবেশে তৎকালীন দ্বায়িত্বরত জেলা প্রশাসক ডক্টর মুশফিকুর রহমান কবির হাতে সম্মাননা স্মারক (সেরা ছড়াকার সম্মাননা) তুলে দেন এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও প্রাবন্ধিক অধ্যাপক যতীন সরকার কবিকে “উত্তরীয়” পড়িয়ে সম্মানিত করেন। 

জহিরুল সাহিত্য পুরষ্কার – ২০২৪ খ্রীস্টাব্দে সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য হাজার কবির কবিতা সাহিত্য পরিষদ কবিকে “জহিরুল সাহিত্য পুরষ্কারে প্রদান করেন। 


বিরহী কবি মাজেদুল হকের জনপ্রিয় কিছু বাণী –

* বিরহ আমার পুঁজি, 

সুখের ঠিকানা খুঁজি। 

* প্রত্যেক পুরুষ এমন স্ত্রী খুঁজে, 

যে স্ত্রী স্বামীর মন বুঝে। 

* নারীর যৌবনে স্বামীর আয়োজন, 

পুরুষদের নিঃসঙ্গতায় স্ত্রীর প্রয়োজন। 

* দিনের প্রথম সুর্যোদয়, 

প্রেমের প্রথম বিনিময়। 

* প্রিয়জন নিজের চেয়েও বেশি।

* আকাশের চাঁদ চাই না আমি 

চাই নাতো পূর্ণিমার আলো , 

পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সুন্দর তুমি 

আমার চোখে তোমায় লাগে ভালো। 

* গায়ের রং ফর্সা হলেই মানুষ সুন্দর নয়,

সভ্য আদর্শিক আচরণে মানুষ সুন্দর হয়। 

* আপনজনে দিলে দুখ,

সুখে থাকিলেও ফাঁটে বুক।

* নারীর কামনা স্বামীর ঘর,

পুরুষের কামনা স্ত্রীর আদর। 

* সূর্যের তেজ আছে বলেই পৃথিবী আলোকি রয়,

জগতে প্রেম আছে বলেই মানুষের জন্ম হয়। 

* মেয়েরা ভালোবাসে পুরুষের আদর্শকে, 

এবং বিয়ে করে পুরুষের পুরুত্বকে। 

* মনের মিলনে গড়ে ওঠে পরিবার, 

উভয়ের সমঝোতায় সুখী হয় সংসার। 

* নারী মা-বাবা ছেড়ে যায় সামাজিক রীতিতে, 

নারী জীবন সার্থক হয় স্বামীর প্রেম প্রীতিতে।

* নম্র ভদ্র ব্যবহারে আদর্শ মানুষ, 

অসভ্য আচরণ প্রমাণ করে অমানুষ। 

* সম্পর্ক ভালোবাসার কিংবা বন্ধুত্বের, 

টিকিয়ে রাখার দ্বায়িত্ব দুজনের। 

* বাংলাভাষা এত মধু অপূর্ব সুস্বাদ,

মায়ের মুখের কথা সুমিষ্ট প্রসাদ । 

বিরহী কবির নির্বাচিত কিছু বাণী তুলে ধরা হয়েছে।