কক্সবাজারের ঈদগাঁও বাজারে বৃদ্ধি পেয়েছে সবজির দাম। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চড়া রয়েছে মাছও মুরগির বাজারও। নিত্যপণ্যের এই ঊর্ধ্বগতির কারণে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষেরা।
২০ সেপ্টেম্বর (রবিবার) বিকেলে ঈদগাঁও কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বর্তমানে বাজারে প্রায় প্রতিটি সবজি বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। খুচরা বাজারে কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ১২০ টাকা, শসা ৪০/৫০ টাকা, করলা ৭০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা,বেগুন ৮০টাকা,গাজর ১৬০ টাকা, তিতকরলা ৮০ টাকা, কচুর চড়া ৬০ টাকা,মূলা ৮০ টাকা, আলু ৩০/৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাছ বাজারেও স্বস্তি ফেরেনি। পাঙ্গাশ মাছ ১৮০ টাকা, তেলাপিয়া ২৫০/২৭০ টাকা,ইলিশ ১০০০/১৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য মাছও আকারভেদে চড়া দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে।অপরদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রীর মধ্য তেল (বোতল) কেজি প্রতি ২১০, (খোলা) তেল ২০০ টাকা, পেয়াজ ৪৫/৫০ টাকা,চনাবুট ১০০ টাকা, চিনি ১১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে মুদির দোকান গুলোতে।
দোহাজারী বাজার থেকে কাঁচামাল কিনে এনে ঈদগাঁওতে বিক্রি করেন অনেক ব্যবসায়ী। তারা কেনার উপর ভিত্তি করে বিক্রি করেন বলে জানায়। বর্তমানে ঈদগাঁও বাজারে ৬০ টাকার নিচে কোন তরকারি পাওয়া যাচ্ছেনা।
জিয়া,আজিম,তাহেরসহ কয়জন ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সাধারণ মানুষের আয়ের তুলনায় ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেছে। সাধ থাকলেও দামের কারণে প্রয়োজনীয় তরকারী কেনাকাটা করা এখন অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তরিতরকারির এই বৃদ্ধিতে তাদের নাভিশ্বাস উঠেছে।
উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের অসহায়, হতদরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারের কষ্টের কথা বিবেচনা করে কাঁচাতরিতরকারীর মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।