০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় পঙ্গুত্বের সঙ্গে লড়াই করছেন নারী সাংবাদিক শিখাদত্ত প্রয়োজন ১৫ লাখ টাকা

 

​ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং লড়াকু সাংবাদিক শিখাদত্ত আপা দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে তীব্র অর্থোপেডিক (হাড় ও মেরুদণ্ড) রোগে ভুগছেন।

বর্তমানে তিনি বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. নরেশ এর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দেশে আর তার চিকিৎসা সম্ভব নয়। তাকে বাঁচাতে হলে জরুরি ভিত্তিতে দেশের বাইরে নিয়ে উন্নত চিকিৎসা করাতে হবে। আর এর জন্য প্রয়োজন প্রায় ১৫ লাখ টাকা। যা তার পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা অসম্ভব।

তার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
২০০৬ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত ‘আমাদের অর্থনীতি’ এবং বগুড়ার ‘আলো প্রতিদিন’ পত্রিকা দিয়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন। তিনি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ রিপোর্টার্স ফোরামের ভোটে নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স সম্পন্ন করেছেন।

বিগত দুই বছর আগে জাতীয় প্রেস কাউন্সিলে আর্থিক সহায়তার আবেদন করা হলেও আজ পর্যন্ত কোনো হদিস বা অনুদান মেলেনি। টাকার অভাবে আজ একজন সৎ সাংবাদিক বিনা চিকিৎসায় ধুঁকে ধুঁকে মরছেন।

আসুন, আমরা যে যার জায়গা থেকে শিখাদত্ত আপার পাশে দাঁড়াই। আপনাদের সামান্য সাহায্য হয়তো ফিরিয়ে দিতে পারে তার স্বাভাবিক জীবন।

সহায়তা পাঠানোর ঠিকানা: বিকাশ (পার্সোনাল) ০১৭৭৪-৪৭৫৫৫৯
(অনুগ্রহ করে পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদের দেখার সুযোগ করে দিন।)

ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় পোস্ট

দুই বছরের ভালোবাসা, বিয়ের পরও হলো না সংসার অসমাপ্ত রয়ে গেল সফর-সেলিনার গল্প

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় পঙ্গুত্বের সঙ্গে লড়াই করছেন নারী সাংবাদিক শিখাদত্ত প্রয়োজন ১৫ লাখ টাকা

আপডেট সময়: ০২:০১:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

 

​ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং লড়াকু সাংবাদিক শিখাদত্ত আপা দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে তীব্র অর্থোপেডিক (হাড় ও মেরুদণ্ড) রোগে ভুগছেন।

বর্তমানে তিনি বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. নরেশ এর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দেশে আর তার চিকিৎসা সম্ভব নয়। তাকে বাঁচাতে হলে জরুরি ভিত্তিতে দেশের বাইরে নিয়ে উন্নত চিকিৎসা করাতে হবে। আর এর জন্য প্রয়োজন প্রায় ১৫ লাখ টাকা। যা তার পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা অসম্ভব।

তার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
২০০৬ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত ‘আমাদের অর্থনীতি’ এবং বগুড়ার ‘আলো প্রতিদিন’ পত্রিকা দিয়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন। তিনি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ রিপোর্টার্স ফোরামের ভোটে নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স সম্পন্ন করেছেন।

বিগত দুই বছর আগে জাতীয় প্রেস কাউন্সিলে আর্থিক সহায়তার আবেদন করা হলেও আজ পর্যন্ত কোনো হদিস বা অনুদান মেলেনি। টাকার অভাবে আজ একজন সৎ সাংবাদিক বিনা চিকিৎসায় ধুঁকে ধুঁকে মরছেন।

আসুন, আমরা যে যার জায়গা থেকে শিখাদত্ত আপার পাশে দাঁড়াই। আপনাদের সামান্য সাহায্য হয়তো ফিরিয়ে দিতে পারে তার স্বাভাবিক জীবন।

সহায়তা পাঠানোর ঠিকানা: বিকাশ (পার্সোনাল) ০১৭৭৪-৪৭৫৫৫৯
(অনুগ্রহ করে পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদের দেখার সুযোগ করে দিন।)