পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ করে চলেছেন চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার সন্তোষপুর গ্রামের মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। তাঁর এই উদ্যোগের নাম ‘একটি গাছ একটি স্বপ্ন’। একই নামে একটি পেইজের মাধ্যমেও তিনি তাঁর বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম ও পরিবেশ সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরছেন।
মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের পিতা মোঃ মিঠু গাজী এবং মাতা মোছা. ঝরনা খাতুন। তাঁর বাড়ি চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর থানার ওথলি ইউনিয়নের সন্তোষপুর গ্রামে।
সাখাওয়াত হোসেন জানান, একটি গাছ শুধু একটি চারা নয়; এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর, সবুজ ও বাসযোগ্য পৃথিবীর প্রতিশ্রুতি। এই বিশ্বাস থেকেই তিনি ‘একটি গাছ একটি স্বপ্ন’ উদ্যোগ শুরু করেছেন।
বর্তমানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় নির্বিচারে গাছ কাটার কারণে বনভূমি কমে যাচ্ছে। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ দূষণ ও নানা কারণে প্রকৃতির ভারসাম্যও হুমকির মুখে পড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছেন সাখাওয়াত।
তিনি বলেন, “আমি আমার ব্যক্তিগত হাতখরচের টাকা থেকে গাছের চারা কিনে বিভিন্ন উপযুক্ত স্থানে লাগানোর চেষ্টা করি। আমাদের লক্ষ্য শুধু গাছ লাগানো নয়, মানুষের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা তৈরি করা এবং সবাইকে বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করা।”
‘একটি গাছ একটি স্বপ্ন’ উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আরও বেশি গাছ লাগানোর পাশাপাশি মানুষের মধ্যে বৃক্ষরোপণের দায়িত্ববোধ তৈরি করতে চান তিনি। তাঁর স্বপ্ন—এমন একটি সমাজ গড়ে তোলা, যেখানে প্রত্যেকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর দায়িত্ব নেবে।
সাখাওয়াত হোসেন বিশ্বাস করেন, ছোট ছোট উদ্যোগই একদিন বড় পরিবর্তন এনে দিতে পারে। মানুষের ভালোবাসা, উৎসাহ ও সহযোগিতা পেলে এই উদ্যোগ আরও বিস্তৃত হবে এবং পরিবেশ রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন তিনি।
তাঁর আহ্বান, আসুন সবাই মিলে গাছ লাগাই, পরিবেশ রক্ষা করি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ, সুন্দর ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলি।
স্লোগান: “একটি গাছ, একটি স্বপ্ন—আজ একটি গাছ লাগান, আগামী প্রজন্মকে একটি সুন্দর পৃথিবী উপহার দিন।”