টগবগে তরুণ নূর আলম। পরিবারকে একটু ভালো রাখার স্বপ্ন নিয়ে পাড়ি জমিয়েছিলেন প্রবাসে। স্বপ্ন ছিল কঠোর পরিশ্রম করে স্ত্রী, সন্তান ও মায়ের মুখে হাসি ফোটাবেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে সেই স্বপ্ন আজ থমকে গেছে অসুস্থতার কাছে।
অসুস্থ হয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নূর আলমের লিভার ডেমেজ ধরা পড়েছে বলে জানিয়েছে তার পরিবার। সামর্থ্যের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে এতদিন চিকিৎসা চালিয়ে গেলেও অর্থের অভাবে এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে তার চিকিৎসা।
বিছানায় শুয়ে থাকা নূর আলম এখন আর পরিবারের সেই কর্মক্ষম মানুষটি নন। তার ওপর নির্ভরশীল স্ত্রী, মাত্র দুই বছরের শিশু সন্তান এবং জন্মদাত্রী মা। নিজেদের কোনো জায়গা-জমি নেই, নেই থাকার মতো নিজস্ব ঘরও।
নূর আলম, বিল্লাল হোসেন ও হালিমার সন্তান। নরসিংদীর পাঁচদোনা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চরমাহমুদপুর মূলপাড়ায় নানীর বাড়িতে বসবাস করছে তার পরিবার।
একদিকে নিজের জীবন বাঁচানোর লড়াই, অন্যদিকে ছোট্ট সন্তানের খাবার ও পরিবারের নিত্যদিনের প্রয়োজন—সব মিলিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে পরিবারটির।
পরিবারের ভাষ্য, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী নূর আলমের চিকিৎসা চালিয়ে যেতে প্রায় ১০ লাখ টাকা প্রয়োজন। প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা হলে চিকিৎসা চালিয়ে তাকে সুস্থ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার আশা করছেন স্বজনরা। কিন্তু দরিদ্র পরিবারের পক্ষে এত বিপুল অর্থ সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
এ অবস্থায় নূর আলমের জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান, হৃদয়বান ও মানবিক মানুষের কাছে সহযোগিতার আকুতি জানিয়েছেন তার পরিবার।
তাদের বিশ্বাস, কারও সামান্য সহযোগিতাও নূর আলমের চিকিৎসার পথকে এগিয়ে দিতে পারে। হয়তো মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতায় আবারও পরিবারের হাল ধরতে পারবেন নূর আলম। ফিরে পাবেন তার দুই বছরের শিশুসন্তান বাবার স্নেহ, আর পরিবারটি ফিরে পাবে বেঁচে থাকার নতুন আশার আলো।
নূর আলমকে সহযোগিতার ঠিকানা
বিকাশ ও নগদ:
📱 01403226753
সোনালী ব্যাংক, নরসিংদী পৌরসভা শাখা:
🏦 01709501022725
মানবিক মানুষের প্রতি পরিবারের আহ্বান
নূর আলমের জীবন বাঁচাতে যার যতটুকু সামর্থ্য, সেই সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে তার পরিবার।
আপনার সামান্য সহযোগিতাই হয়তো নূর আলমের জন্য হয়ে উঠতে পারে নতুন জীবনের আশার আলো।