জুলাই আন্দোলনে আহত সামাদ জাহান তানিয়ার অভিযোগ—‘সত্যের পথে ছিলাম, আজ সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত’

লেখক: শেখ মোঃ আব্দুল হামিদ সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি
প্রকাশ: July 10, 2026

মরহুম  সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা শামসুল আলম ভূঁইয়ার কন্যা সামাদ জাহান তানিয়া অভিযোগ করেছেন, জুলাই আন্দোলনে অংশ নিয়ে আহত হওয়ার পর বর্তমানে তিনি বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাঁর দাবি, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করলেও আজ তিনি তাঁর ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মরহুম সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা শামসুল আলম ভূঁইয়া কর্মজীবনে সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও আদর্শের জন্য পরিচিত ছিলেন। তিনি জীবদ্দশায় ন্যায়, সততা ও মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর আদর্শ আজও পরিবারের সদস্যদের অনুপ্রাণিত করে।

পারিবারিক সূত্রে আরও জানা যায়, মরহুম সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা শামসুল আলম ভূঁইয়ার সহধর্মিণীর নাম সৈয়দ শামসুল আজিজা। তাঁদের চার সন্তানের মধ্যে তিন ছেলে ও এক মেয়ে। বড় ছেলে জহিরুল আলম বাদল ভূঁইয়া সাংবাদিক, কবি ও লেখক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। দ্বিতীয় ছেলে মনজুরুল আলম ভূঁইয়া, তৃতীয় ছেলে খায়রুল আলম ভূঁইয়া এবং সর্বকনিষ্ঠ ও একমাত্র কন্যা সামাদ জাহান তানিয়া।

পারিবারিক সূত্রে আরও জানা যায়, সামাদ জাহান তানিয়ার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার বাসাইল উপজেলায়। বর্তমানে তিনি ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন। তিনি দুই কন্যাসন্তানের জননী। পরিবারের ভরণ-পোষণ, সন্তানদের লালন-পালন এবং বাসাভাড়া পরিশোধ করতে তাঁকে প্রতিনিয়ত কঠিন সংগ্রাম করতে হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

সামাদ জাহান তানিয়া বলেন, “আমি সত্যের পথে থেকে জুলাই আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলাম। আন্দোলনে আহত হওয়ার পর ভেবেছিলাম রাষ্ট্র আমার পাশে দাঁড়াবে। কিন্তু আজ আমাকে বিভিন্ন দিক থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। জুলাই আন্দোলনকারীদের জন্য যে বিভিন্ন সেবা ও সুযোগ-সুবিধা রয়েছে, সেখান থেকেও আমাকে বঞ্চিত করা হয়েছে। আমি শুধু আমার ন্যায্য অধিকার চাই।”

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, তাঁর অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে একজন আহত আন্দোলনকারী হিসেবে তাঁর ন্যায্য অধিকার, প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা ও সম্মান নিশ্চিত করা হোক।

শেখ মোঃ আব্দুল হামিদ সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি

শেখ মোঃ আব্দুল হামিদ সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি