১১:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পবিত্র জুম্মার দিনে খলাপাড়া জামে মসজিদে মুসল্লিদের ঢল, দেশ ও জাতির কল্যাণে বিশেষ দোয়া

পবিত্র জুম্মার দিন উপলক্ষে সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী খলাপাড়া জামে মসজিদে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের ব্যাপক উপস্থিতিতে জুমার নামাজ অত্যন্ত ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ এবং আধ্যাত্মিক আবহে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত মুসল্লিরা নির্ধারিত সময়ের আগেই মসজিদে উপস্থিত হয়ে ইবাদত-বন্দেগিতে অংশ নেন এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় এক কাতারে দাঁড়িয়ে জুমার নামাজ আদায় করেন।

জুমার খুতবায় ইসলামের শিক্ষা, মানবতার কল্যাণ, ন্যায়-নীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ, পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে জীবন পরিচালনা, অন্যায়-অবিচার, হিংসা-বিদ্বেষ ও দুর্নীতি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

নামাজ শেষে দেশ ও জাতির সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি এবং অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের নির্যাতিত মানুষের মুক্তি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে দেশকে রক্ষা এবং সকল মানুষের কল্যাণ কামনা করে মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে প্রার্থনা করা হয়। মুসল্লিরা নিজেদের, পরিবারের সদস্যদের এবং মৃত আত্মীয়-স্বজনদের মাগফিরাত কামনাও করেন।

পবিত্র জুম্মার নামাজকে ঘিরে খলাপাড়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে ছিল এক অনন্য ধর্মীয় পরিবেশ। নামাজ শেষে মুসল্লিদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ কুশল বিনিময় দেখা যায়। অনেকেই জুমার দিনের ফজিলত ও ইসলামের শান্তির বাণী সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, জুম্মার দিন মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও ফজিলতময় একটি দিন। এই দিনের শিক্ষা ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ জীবনে বাস্তবায়নের মাধ্যমে শান্তি, সম্প্রীতি এবং নৈতিক মূল্যবোধভিত্তিক একটি সুন্দর সমাজ গঠন সম্ভব।

পবিত্র জুম্মার দিনে খলাপাড়া জামে মসজিদে মুসল্লিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ধর্মীয় চেতনা, ঈমানি শক্তি এবং ইসলামী মূল্যবোধের প্রতি মানুষের গভীর ভালোবাসারই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় পোস্ট

ঈদগাঁওতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলে গ্রাহকদের মাথায় হাত ! 

পবিত্র জুম্মার দিনে খলাপাড়া জামে মসজিদে মুসল্লিদের ঢল, দেশ ও জাতির কল্যাণে বিশেষ দোয়া

আপডেট সময়: ০১:০২:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

পবিত্র জুম্মার দিন উপলক্ষে সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী খলাপাড়া জামে মসজিদে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের ব্যাপক উপস্থিতিতে জুমার নামাজ অত্যন্ত ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ এবং আধ্যাত্মিক আবহে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত মুসল্লিরা নির্ধারিত সময়ের আগেই মসজিদে উপস্থিত হয়ে ইবাদত-বন্দেগিতে অংশ নেন এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় এক কাতারে দাঁড়িয়ে জুমার নামাজ আদায় করেন।

জুমার খুতবায় ইসলামের শিক্ষা, মানবতার কল্যাণ, ন্যায়-নীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ, পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে জীবন পরিচালনা, অন্যায়-অবিচার, হিংসা-বিদ্বেষ ও দুর্নীতি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

নামাজ শেষে দেশ ও জাতির সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি এবং অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের নির্যাতিত মানুষের মুক্তি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে দেশকে রক্ষা এবং সকল মানুষের কল্যাণ কামনা করে মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে প্রার্থনা করা হয়। মুসল্লিরা নিজেদের, পরিবারের সদস্যদের এবং মৃত আত্মীয়-স্বজনদের মাগফিরাত কামনাও করেন।

পবিত্র জুম্মার নামাজকে ঘিরে খলাপাড়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে ছিল এক অনন্য ধর্মীয় পরিবেশ। নামাজ শেষে মুসল্লিদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ কুশল বিনিময় দেখা যায়। অনেকেই জুমার দিনের ফজিলত ও ইসলামের শান্তির বাণী সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, জুম্মার দিন মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও ফজিলতময় একটি দিন। এই দিনের শিক্ষা ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ জীবনে বাস্তবায়নের মাধ্যমে শান্তি, সম্প্রীতি এবং নৈতিক মূল্যবোধভিত্তিক একটি সুন্দর সমাজ গঠন সম্ভব।

পবিত্র জুম্মার দিনে খলাপাড়া জামে মসজিদে মুসল্লিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ধর্মীয় চেতনা, ঈমানি শক্তি এবং ইসলামী মূল্যবোধের প্রতি মানুষের গভীর ভালোবাসারই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।