
সবুজায়নে বাংলাদেশ, জলবায়ু মোকাবেলায় অবিচল দেশ- এ প্রতিপাদ্যে ঈদগাঁওতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উদযাপন করা হয়েছে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। ২৯ জুন সোমবার এ উপলক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ ও রেলি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (লেইস) প্রজেক্টে’র সহায়তায় ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় দুপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও রেলি বাস্তবায়ন করেছে। জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির মাঠে এ বৃক্ষরোপনের আয়োজন করা হয়। পরে প্রধান শিক্ষক খুরশীদুল জান্নাতসহ কর্মরত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের এক বিশাল রেলি বিদ্যালয় মাঠ প্রদক্ষিণ করে।
অনুরূপ কর্মসূচি পালিত হয়েছে ঈদগাঁও আলমাছিয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসা, ঈদগাহ আদর্শ শিক্ষা নিকেতন, ঈদগাহ জাহানারা ইসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, পোকখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। আলমাছিয়া মাদ্রাসায় কর্মসূচি চলাকালে উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ মাওলানা হেফাজত উল্লাহ নদভী, উপাধ্যক্ষ মাওলানা নুরুল আবছার কাদেরী সহ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। ঈদগাহ আদর্শ শিক্ষা নিকেতন- কেজি স্কুলে বৃক্ষরোপণের সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান শিক্ষক শহীদুল হক সহ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। ঈদগাহ জাহানারা ইসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে জলবায়ু পরিবর্তন ও সচেতনতা বিষয়ক এ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন, সহকারি প্রধান শিক্ষক জসীম উদ্দীন সহ অন্যান্যরা। পোকখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে এ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠান প্রধান শফিউল আলম সহ শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীরা।
আয়োজকরা জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় ব্যাপকভাবে ফলজ ও বনজ বৃক্ষ রোপন করতে হবে। পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ শুধু সবুজায়ন বৃদ্ধি করে না, বরণ বিশুদ্ধ বায়ু নিশ্চিত করা, খাদ্য ও প্রাকৃতিক সম্পদের নিরাপত্তা জোরদার করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য ও টেকসই পৃথিবী গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে দেশীয় বৃক্ষ প্রজাতিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া দরকার।
রেজাউল করিম , কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি 

















