১০:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদগাঁও-মাছুয়াখালী প্রধান যাতাযাতের সড়কটি খানাখন্দকে ভরপুর, দেখার কেউ নেই 

 

মহাসড়ক পরবর্তী এখন গ্রামীন যাতায়াতের উপসড়কেও খানা খন্দকে চেয়ে গেছে। ঈদগাঁওয়ের মাছুয়াখালীর চলাচল সড়কটিতে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। যানবাহন চালকরা যেকোন মুহূর্তে দূর্ঘ টনার আশংকা প্রকাশ করেন।

জানা যায়, ঈদগাঁও হয়ে মাছুয়া খালীর সড়কটি জনগুরুত্বপূর্ণ। এটি দিয়ে দৈনিক অসংখ্য টমটম সিএনজিসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল করে থাকেন। এমনকি ৩/৪টি পাড়ার প্রায় ২হাজারের মত লোকজন নানা কাজকর্মে সড়ক দিয়ে আসা যাওয়া করে যাচ্ছেন। এছাড়া মাছুয়াখালীর বড় কওমী মাদ্রাসার অসংখ্য ছাত্র প্রায়শ সড়ক হয়ে যাতাযাত করছেন।

(২৮ জুলাই) সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, মাছুয়াখালীর প্রধান সড়কটির মুরাপাড়া অংশে  চলাচল সড়কটিতে খানাখন্দকে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। সড়ক দিয়ে টমটম,সিএনজি চলাফেরা করছে কষ্টের বিনিময়ে। পথচারীরা জানায়,দীর্ঘ প্রায় মাসাধিকের মত হচ্ছে খানাখন্দকের সৃষ্টি। গেল ভারী বৃষ্টিপাতে এমনটাই হয়ে পড়ে। এরপর থেকে এখনো একই অবস্থায় রয়েছে। দেখার যেন কেউ নেই। দিনেও রাতে সাধারণ মানুষসহ যানবাহন চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।
দেখা যায়, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ঈদগাঁও স্টেশনে সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টেও খানা খন্দকের সৃষ্টি হয়ে পড়ে।

মাদ্রাসার এক শিক্ষক জানান, খানাখন্দক সৃষ্টি হওয়া পয়েন্টে পাহাড়ের উপর থেকে বৃষ্টির পানি নেমে ড্রেন দিয়ে চলে না যাওয়ায় কারনে জমে জলাবদ্ধতা হয়। ফলে যানবাহন চালকেরা সেই পানির কারনে গর্তগুলো দেখা না যাওয়ায় দূর্ঘ টনার আতংকে রয়েছে। দ্রুত সংস্কারপূর্বক জন, যানবাহন চলাচল উপযোগী করা জরুরী।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ছুরুত আলম জানান, ২/৩ টি সপ্তাহ হচ্ছে মুরাপাড়া এলাকায় রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এ সড়ক দিয়ে কাহাতিয়া পাড়া, সিকদার পাড়া এবং মুরাপাড়ার প্রায় ২/১ হাজারের বেশি লোকজন প্রতিনিয়ত চলাফেরা করে যাচ্ছেন কাঁদাযুক্ত পানি পেরিয়ে।

স্থানীয় মেম্বার কামাল উদ্দিনের সাথে কথা হলে জানান, এলাকাটি ঈদগাঁও ইউনিয়ন আওতাধীন হলেও কিন্ত সড়কটির কাজ করেন রশিদনগর।
সচেতন মহল জানান,এতদিনও চলাচল অযোগ্য সড়কটির সংস্কার কাজ না হওয়া দু:খজনক। মাছুয়াখালী এলাকার প্রধান সড়কটি সংস্কারের মাধ্যমে যাতাযাত সু-ব্যবস্থা করা হউক।

ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় পোস্ট

ঈদগাঁওতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলে গ্রাহকদের মাথায় হাত ! 

ঈদগাঁও-মাছুয়াখালী প্রধান যাতাযাতের সড়কটি খানাখন্দকে ভরপুর, দেখার কেউ নেই 

আপডেট সময়: ০৯:৩৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

 

মহাসড়ক পরবর্তী এখন গ্রামীন যাতায়াতের উপসড়কেও খানা খন্দকে চেয়ে গেছে। ঈদগাঁওয়ের মাছুয়াখালীর চলাচল সড়কটিতে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। যানবাহন চালকরা যেকোন মুহূর্তে দূর্ঘ টনার আশংকা প্রকাশ করেন।

জানা যায়, ঈদগাঁও হয়ে মাছুয়া খালীর সড়কটি জনগুরুত্বপূর্ণ। এটি দিয়ে দৈনিক অসংখ্য টমটম সিএনজিসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল করে থাকেন। এমনকি ৩/৪টি পাড়ার প্রায় ২হাজারের মত লোকজন নানা কাজকর্মে সড়ক দিয়ে আসা যাওয়া করে যাচ্ছেন। এছাড়া মাছুয়াখালীর বড় কওমী মাদ্রাসার অসংখ্য ছাত্র প্রায়শ সড়ক হয়ে যাতাযাত করছেন।

(২৮ জুলাই) সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, মাছুয়াখালীর প্রধান সড়কটির মুরাপাড়া অংশে  চলাচল সড়কটিতে খানাখন্দকে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। সড়ক দিয়ে টমটম,সিএনজি চলাফেরা করছে কষ্টের বিনিময়ে। পথচারীরা জানায়,দীর্ঘ প্রায় মাসাধিকের মত হচ্ছে খানাখন্দকের সৃষ্টি। গেল ভারী বৃষ্টিপাতে এমনটাই হয়ে পড়ে। এরপর থেকে এখনো একই অবস্থায় রয়েছে। দেখার যেন কেউ নেই। দিনেও রাতে সাধারণ মানুষসহ যানবাহন চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।
দেখা যায়, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ঈদগাঁও স্টেশনে সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টেও খানা খন্দকের সৃষ্টি হয়ে পড়ে।

মাদ্রাসার এক শিক্ষক জানান, খানাখন্দক সৃষ্টি হওয়া পয়েন্টে পাহাড়ের উপর থেকে বৃষ্টির পানি নেমে ড্রেন দিয়ে চলে না যাওয়ায় কারনে জমে জলাবদ্ধতা হয়। ফলে যানবাহন চালকেরা সেই পানির কারনে গর্তগুলো দেখা না যাওয়ায় দূর্ঘ টনার আতংকে রয়েছে। দ্রুত সংস্কারপূর্বক জন, যানবাহন চলাচল উপযোগী করা জরুরী।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ছুরুত আলম জানান, ২/৩ টি সপ্তাহ হচ্ছে মুরাপাড়া এলাকায় রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এ সড়ক দিয়ে কাহাতিয়া পাড়া, সিকদার পাড়া এবং মুরাপাড়ার প্রায় ২/১ হাজারের বেশি লোকজন প্রতিনিয়ত চলাফেরা করে যাচ্ছেন কাঁদাযুক্ত পানি পেরিয়ে।

স্থানীয় মেম্বার কামাল উদ্দিনের সাথে কথা হলে জানান, এলাকাটি ঈদগাঁও ইউনিয়ন আওতাধীন হলেও কিন্ত সড়কটির কাজ করেন রশিদনগর।
সচেতন মহল জানান,এতদিনও চলাচল অযোগ্য সড়কটির সংস্কার কাজ না হওয়া দু:খজনক। মাছুয়াখালী এলাকার প্রধান সড়কটি সংস্কারের মাধ্যমে যাতাযাত সু-ব্যবস্থা করা হউক।