দেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রপাতে রোববার (দিনব্যাপী) অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে গাইবান্ধায় সর্বোচ্চ ৫ জন, ঠাকুরগাঁও, সিরাজগঞ্জ ও জামালপুরে ২ জন করে এবং পঞ্চগড়, বগুড়া ও নাটোরে ১ জন করে প্রাণ হারিয়েছেন। হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাতের এ ঘটনায় দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা গ্রামে বিকেলের দিকে বজ্রপাতে শিশুসহ ৩ জনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে একটি গরুও মারা গেছে।নিহতরা হলেন—সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম সুজা চৌধুরীর ছেলে ফুয়াদ (৩২), ছোটন মিয়ার ছেলে রাফি (২২) এবং নবীর হোসেনের ছেলে মিজান (১২)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে আকস্মিক ঝড়-বৃষ্টির সময় তারা খোলা স্থানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয় এবং একজন আহত হন।অন্যদিকে, দেশের বিভিন্ন জেলাতেও বজ্রপাতে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। ঠাকুরগাঁও, সিরাজগঞ্জ ও জামালপুরে ২ জন করে এবং পঞ্চগড়, বগুড়া ও নাটোরে ১ জন করে নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এসব এলাকায় অধিকাংশ ঘটনা ঘটেছে কৃষিকাজ বা খোলা মাঠে অবস্থানের সময়।স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টরা জানান, বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার বিষয়ে সচেতনতার অভাব এবং খোলা জায়গায় অবস্থানের কারণে এমন দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। তারা সবাইকে ঝড়-বৃষ্টির সময় খোলা মাঠ, গাছের নিচে বা উঁচু স্থানে অবস্থান না করার পরামর্শ দিয়েছেন।আবহাওয়া সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মৌসুম পরিবর্তনের এই সময়ে বজ্রপাতের প্রবণতা বেড়ে যায়। তাই সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন