০২:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রসূতিবিদ্যা ও স্ত্রীরোগবিদ্যায় এফসিপিএস (১ম পর্ব) উত্তীর্ণ ডাঃ মাইশা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
অলি হাসান সৃজন

বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব মোঃ আব্দুল হাই – স্যার এর কন্যা ডাঃ মাইশা প্রসূতিবিদ্যা ও স্ত্রীরোগবিদ্যা (Obstetrics & Gynaecology) বিষয়ে এফসিপিএস (১ম পর্ব) পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাঁর এই গৌরবময় সাফল্যের খবরে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষক, সহপাঠী এবং শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে।

এফসিপিএস (Fellowship of the College of Physicians and Surgeons) বাংলাদেশের চিকিৎসা শিক্ষার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলোর একটি। এই পরীক্ষার প্রথম পর্বে উত্তীর্ণ হওয়া একজন চিকিৎসকের উচ্চতর বিশেষজ্ঞ হওয়ার পথে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। ডাঃ মাইশার এই অর্জন তাঁর অধ্যবসায়, একাগ্রতা, কঠোর পরিশ্রম এবং পেশার প্রতি দায়বদ্ধতারই উজ্জ্বল প্রতিফলন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ছোটবেলা থেকেই ডাঃ মাইশা ছিলেন মেধাবী, পরিশ্রমী ও লক্ষ্যনিষ্ঠ। শিক্ষাজীবনের প্রতিটি ধাপে তিনি কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে এগিয়ে গেছেন। চিকিৎসক হিসেবে মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করার দৃঢ় প্রত্যয় থেকেই তিনি উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষায় নিজেকে প্রস্তুত করে চলেছেন। তাঁর এই সাফল্য পরিবার ও শিক্ষকদের জন্য যেমন গর্বের, তেমনি এলাকার তরুণ প্রজন্মের জন্যও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

ডাঃ মাইশার এ অর্জনে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাঙ্গনের ব্যক্তিবর্গ তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে তিনি আরও বড় সাফল্য অর্জন করে দেশের চিকিৎসা খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন এবং মানবসেবার মহান ব্রতকে আরও সমৃদ্ধ করবেন।

এদিকে মেয়ের এই সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে সহকারী অধ্যাপক Md Abdul Hye কৃতজ্ঞতা জানান মহান আল্লাহ তাআলার প্রতি। তিনি কন্যার জন্য সকলের দোয়া কামনা করেন যাতে তিনি ভবিষ্যতে একজন দক্ষ, মানবিক ও সফল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে পারেন।

সুধীজনেরা মনে করেন, ডাঃ মাইশার এই সাফল্য শুধু তাঁর ব্যক্তিগত অর্জন নয়; এটি তাঁর পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং এলাকার জন্যও একটি গর্বের বিষয়। তাঁর উত্তরোত্তর সাফল্য, সুস্বাস্থ্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন সকল শুভানুধ্যায়ী।

ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় পোস্ট

ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের অধিকার আদায়ে নিবেদিত এক সাহসী নেতৃত্ব — প্রকৌশলী হৃদয় তালুকদার

প্রসূতিবিদ্যা ও স্ত্রীরোগবিদ্যায় এফসিপিএস (১ম পর্ব) উত্তীর্ণ ডাঃ মাইশা

আপডেট সময়: ১০:৪৩:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:
অলি হাসান সৃজন

বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব মোঃ আব্দুল হাই – স্যার এর কন্যা ডাঃ মাইশা প্রসূতিবিদ্যা ও স্ত্রীরোগবিদ্যা (Obstetrics & Gynaecology) বিষয়ে এফসিপিএস (১ম পর্ব) পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাঁর এই গৌরবময় সাফল্যের খবরে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষক, সহপাঠী এবং শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে।

এফসিপিএস (Fellowship of the College of Physicians and Surgeons) বাংলাদেশের চিকিৎসা শিক্ষার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলোর একটি। এই পরীক্ষার প্রথম পর্বে উত্তীর্ণ হওয়া একজন চিকিৎসকের উচ্চতর বিশেষজ্ঞ হওয়ার পথে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। ডাঃ মাইশার এই অর্জন তাঁর অধ্যবসায়, একাগ্রতা, কঠোর পরিশ্রম এবং পেশার প্রতি দায়বদ্ধতারই উজ্জ্বল প্রতিফলন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ছোটবেলা থেকেই ডাঃ মাইশা ছিলেন মেধাবী, পরিশ্রমী ও লক্ষ্যনিষ্ঠ। শিক্ষাজীবনের প্রতিটি ধাপে তিনি কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে এগিয়ে গেছেন। চিকিৎসক হিসেবে মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করার দৃঢ় প্রত্যয় থেকেই তিনি উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষায় নিজেকে প্রস্তুত করে চলেছেন। তাঁর এই সাফল্য পরিবার ও শিক্ষকদের জন্য যেমন গর্বের, তেমনি এলাকার তরুণ প্রজন্মের জন্যও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

ডাঃ মাইশার এ অর্জনে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাঙ্গনের ব্যক্তিবর্গ তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে তিনি আরও বড় সাফল্য অর্জন করে দেশের চিকিৎসা খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন এবং মানবসেবার মহান ব্রতকে আরও সমৃদ্ধ করবেন।

এদিকে মেয়ের এই সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে সহকারী অধ্যাপক Md Abdul Hye কৃতজ্ঞতা জানান মহান আল্লাহ তাআলার প্রতি। তিনি কন্যার জন্য সকলের দোয়া কামনা করেন যাতে তিনি ভবিষ্যতে একজন দক্ষ, মানবিক ও সফল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে পারেন।

সুধীজনেরা মনে করেন, ডাঃ মাইশার এই সাফল্য শুধু তাঁর ব্যক্তিগত অর্জন নয়; এটি তাঁর পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং এলাকার জন্যও একটি গর্বের বিষয়। তাঁর উত্তরোত্তর সাফল্য, সুস্বাস্থ্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন সকল শুভানুধ্যায়ী।