০৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেকারিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করলো জাতীয় ভোক্তা অধিকার!

 

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মাগুরা জেলা কার্যালয় কর্তৃক সদর উপজেলার ইছাখাদা, ছোটব্রীজ ও বাটিকাডাঙ্গা এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়।

গতকাল সকাল থেকে দুপুর ৩ টা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে বেকারি প্রতিষ্ঠান, মুদিদোকানসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের প্রতিষ্ঠান তদারকি করা হয়।এসময় ইছাখাদা ছোট ব্রীজ এলাকায় মেসার্স ঢাকা মহানগর বেকারি নামক প্রতিষ্ঠানকে পূর্বে সতর্ক করা স্বত্তেও বিএসটিআইয়ের লাইসেন্স ব্যতীত বিভিন্ন বেকারি পণ্য তৈরি করে অবৈধভাবে পণ্যের গায়ে ভুয়া বিএসটিআইয়ের লোগো ব্যবহার করে পণ্য বিক্রয়, উৎপাদিত খাদ্যপণ্যে দুধ এবং বাটার ব্যবহার না করেই উপাদান হিসেবে সেগুলো পণ্যের প্যাকেটে উল্লেখ করা হয়েছে। যা মিথ্যা বিজ্ঞাপন ও ভোক্তাদের সাথে চরম প্রতারণা। এছাড়া অস্বাস্থ্যকরভাবে খাবার পণ্য তৈরি, কর্মচারীদের স্বাস্থ্যবিধি না মানা, কর্মচারীদের টয়লেটে হাত ধোয়ার হ্যান্ডওয়াশ না থাকা, খাবারে অননুমোদিত ফ্লেভার ব্যবহার ইত্যাদি অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪৩ ও ৪৪ ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এসময় ভবিষ্যতে এধরণের আইন অমান্যকারী কার্যকলাপ না করার ব্যাপারে পুনরায় সতর্ক করা হয়।

পরবর্তীতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসহ অন্যান্য পণ্যের প্রতিষ্ঠান তদারকি করা হয়। এসময় ব্যবসায়ীদের অযৌক্তিকভাবে পণ্যের দাম বৃদ্ধি না করা, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে ও আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা, মূল্যতালিকা যথাযথভাবে প্রদর্শন করা, পণ্যের ক্রয়-বিক্রয় ভাউচার যথাযথভাবে প্রদান ও সংরক্ষণ করা, মেয়াদ উত্তীর্ণ ও ড্যামেজ পণ্য বিক্রয় না করা, পণ্যের মোড়কীকরণ বিধি বহির্ভূত পণ্য বিক্রয় না করা, অতিরিক্ত মুনাফা না করা ইত্যাদি ব্যাপারে নির্দেশনা দেয়া হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মাগুরা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সজল আহম্মেদ।

সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমন অধিকারী, কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মোঃ রবিউল ইসলাম ও মাগুরা জেলা পুলিশের একটি চৌকস টিম। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান- ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগণ।

ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় পোস্ট

এসেট প্রকল্পের আওতায় সাইক প্রফেশনাল ট্রেনিং সেন্টার, ময়মনসিংহ-এর ৭ম ব্যাচের ট্রেইনিদের এসেসমেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন

বেকারিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করলো জাতীয় ভোক্তা অধিকার!

আপডেট সময়: ১০:২০:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

 

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মাগুরা জেলা কার্যালয় কর্তৃক সদর উপজেলার ইছাখাদা, ছোটব্রীজ ও বাটিকাডাঙ্গা এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়।

গতকাল সকাল থেকে দুপুর ৩ টা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে বেকারি প্রতিষ্ঠান, মুদিদোকানসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের প্রতিষ্ঠান তদারকি করা হয়।এসময় ইছাখাদা ছোট ব্রীজ এলাকায় মেসার্স ঢাকা মহানগর বেকারি নামক প্রতিষ্ঠানকে পূর্বে সতর্ক করা স্বত্তেও বিএসটিআইয়ের লাইসেন্স ব্যতীত বিভিন্ন বেকারি পণ্য তৈরি করে অবৈধভাবে পণ্যের গায়ে ভুয়া বিএসটিআইয়ের লোগো ব্যবহার করে পণ্য বিক্রয়, উৎপাদিত খাদ্যপণ্যে দুধ এবং বাটার ব্যবহার না করেই উপাদান হিসেবে সেগুলো পণ্যের প্যাকেটে উল্লেখ করা হয়েছে। যা মিথ্যা বিজ্ঞাপন ও ভোক্তাদের সাথে চরম প্রতারণা। এছাড়া অস্বাস্থ্যকরভাবে খাবার পণ্য তৈরি, কর্মচারীদের স্বাস্থ্যবিধি না মানা, কর্মচারীদের টয়লেটে হাত ধোয়ার হ্যান্ডওয়াশ না থাকা, খাবারে অননুমোদিত ফ্লেভার ব্যবহার ইত্যাদি অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪৩ ও ৪৪ ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এসময় ভবিষ্যতে এধরণের আইন অমান্যকারী কার্যকলাপ না করার ব্যাপারে পুনরায় সতর্ক করা হয়।

পরবর্তীতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসহ অন্যান্য পণ্যের প্রতিষ্ঠান তদারকি করা হয়। এসময় ব্যবসায়ীদের অযৌক্তিকভাবে পণ্যের দাম বৃদ্ধি না করা, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে ও আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা, মূল্যতালিকা যথাযথভাবে প্রদর্শন করা, পণ্যের ক্রয়-বিক্রয় ভাউচার যথাযথভাবে প্রদান ও সংরক্ষণ করা, মেয়াদ উত্তীর্ণ ও ড্যামেজ পণ্য বিক্রয় না করা, পণ্যের মোড়কীকরণ বিধি বহির্ভূত পণ্য বিক্রয় না করা, অতিরিক্ত মুনাফা না করা ইত্যাদি ব্যাপারে নির্দেশনা দেয়া হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মাগুরা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সজল আহম্মেদ।

সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমন অধিকারী, কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মোঃ রবিউল ইসলাম ও মাগুরা জেলা পুলিশের একটি চৌকস টিম। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান- ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগণ।