০৪:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে অ্যানথ্রাক্স রোগের প্রাদুর্ভাব রোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও টিকাদান কার্যক্রম অব্যাহত

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময়: ১০:১৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ৮ নিউজটি পড়েছে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় গবাদিপশুর অ্যানথ্রাক্স (তড়কা) রোগের প্রাদুর্ভাব ও বিস্তার রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করছে জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর।

বুধবার রাজারহাট উপজেলার চাকিরপশার ও রাজারহাট বাজার এলাকায় এ কর্মসূচি পরিচালনা করেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. হাবিবুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রহমত আলীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

এই কর্মসূচিতে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০টি গবাদিপশুকে অ্যানথ্রাক্সের টিকা দেওয়া হয়

ডা. মো. হাবিবুর রহমান বলেন,
“অ্যানথ্রাক্স একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত জুনোটিক রোগ, যা গবাদিপশু থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হতে পারে। এ কারণে আমরা নিয়মিত টিকাদান, পশু স্বাস্থ্য পরীক্ষা, উঠান বৈঠক, পথসভা ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করছি।”

তিনি আরও বলেন,
“অসুস্থ পশু জবাই না করা, মৃত পশুকে খোলা স্থানে বা পানিতে না ফেলে গভীরভাবে মাটি চাপা দেওয়া এবং যেকোনো পশুজনিত অসুস্থতার ক্ষেত্রে দ্রুত নিকটস্থ ভেটেরিনারি হাসপাতাল বা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা অত্যন্ত জরুরি।”

প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, রাজারহাটসহ কুড়িগ্রাম জেলায় অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে

ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় পোস্ট

আধ্যাত্মিকতা ও মানবতার মিলনমেলা, কায়রোতে ছারছীনা দরবারের পীর সাহেবকে সংবর্ধনা

কুড়িগ্রামে অ্যানথ্রাক্স রোগের প্রাদুর্ভাব রোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও টিকাদান কার্যক্রম অব্যাহত

আপডেট সময়: ১০:১৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় গবাদিপশুর অ্যানথ্রাক্স (তড়কা) রোগের প্রাদুর্ভাব ও বিস্তার রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করছে জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর।

বুধবার রাজারহাট উপজেলার চাকিরপশার ও রাজারহাট বাজার এলাকায় এ কর্মসূচি পরিচালনা করেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. হাবিবুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রহমত আলীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

এই কর্মসূচিতে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০টি গবাদিপশুকে অ্যানথ্রাক্সের টিকা দেওয়া হয়

ডা. মো. হাবিবুর রহমান বলেন,
“অ্যানথ্রাক্স একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত জুনোটিক রোগ, যা গবাদিপশু থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হতে পারে। এ কারণে আমরা নিয়মিত টিকাদান, পশু স্বাস্থ্য পরীক্ষা, উঠান বৈঠক, পথসভা ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করছি।”

তিনি আরও বলেন,
“অসুস্থ পশু জবাই না করা, মৃত পশুকে খোলা স্থানে বা পানিতে না ফেলে গভীরভাবে মাটি চাপা দেওয়া এবং যেকোনো পশুজনিত অসুস্থতার ক্ষেত্রে দ্রুত নিকটস্থ ভেটেরিনারি হাসপাতাল বা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা অত্যন্ত জরুরি।”

প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, রাজারহাটসহ কুড়িগ্রাম জেলায় অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে