০৩:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে ২২০ বছরের পুরনো আম গাছ, ফল ধরে লাখ টাকার।

রহমত আরিফ
ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতাঃ

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আমজানখোর ইউনিয়নের হরিণমারী সীমান্তবর্তী মন্ডুমালা গ্রামে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ২২০ বছরের পুরনো একটি বিশাল সূর্যপুরী আম গাছ।

দূর থেকে দেখতে অনেকটা বটগাছের মতো হলেও এটি আসলে একটি প্রাচীন আম গাছ, যা এখন স্থানীয়দের কাছে বিস্ময় ও ঐতিহ্যের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

প্রায় দুই থেকে তিন বিঘা জমি জুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই গাছটির রয়েছে শতাধিক ডালপালা। প্রতিবছর গাছটিতে বিপুল পরিমাণ আম ধরে এবং মৌসুমে লাখ টাকার আম বিক্রি হয় বলে জানান গাছটির মালিক।

স্থানীয়দের দাবি, এশিয়ার সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন আম গাছগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।

বিশাল এই আম গাছটি দেখতে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা ভিড় করেন। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ আবার পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসছেন। এলাকাবাসীর মতে, যথাযথ পরিচর্যা ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এটি দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় পোস্ট

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় চক্করের  সড়কে মাদকসেবীদের উৎপাত,

ঠাকুরগাঁওয়ে ২২০ বছরের পুরনো আম গাছ, ফল ধরে লাখ টাকার।

আপডেট সময়: ১০:২১:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

রহমত আরিফ
ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতাঃ

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আমজানখোর ইউনিয়নের হরিণমারী সীমান্তবর্তী মন্ডুমালা গ্রামে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ২২০ বছরের পুরনো একটি বিশাল সূর্যপুরী আম গাছ।

দূর থেকে দেখতে অনেকটা বটগাছের মতো হলেও এটি আসলে একটি প্রাচীন আম গাছ, যা এখন স্থানীয়দের কাছে বিস্ময় ও ঐতিহ্যের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

প্রায় দুই থেকে তিন বিঘা জমি জুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই গাছটির রয়েছে শতাধিক ডালপালা। প্রতিবছর গাছটিতে বিপুল পরিমাণ আম ধরে এবং মৌসুমে লাখ টাকার আম বিক্রি হয় বলে জানান গাছটির মালিক।

স্থানীয়দের দাবি, এশিয়ার সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন আম গাছগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।

বিশাল এই আম গাছটি দেখতে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা ভিড় করেন। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ আবার পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসছেন। এলাকাবাসীর মতে, যথাযথ পরিচর্যা ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এটি দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।