সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার গাবী গ্রামের কৃতী সন্তান ও তরুণ বক্সার জাহাঙ্গীর আলম রকি আন্তঃডিভিশন বক্সিং প্রতিযোগিতা-২০২৬-এ সিলেট বিভাগের হয়ে সাভার ডিভিশন এর বিপক্ষে অংশগ্রহণ করে জয়লাভ করেছেন। তাঁর এই অর্জনে গাবী গ্রামসহ পুরো ধর্মপাশা উপজেলার ক্রীড়াঙ্গনে আনন্দের আমেজ সৃষ্টি হয়েছে।
জাহাঙ্গীর আলম রকি ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বক্সিংকে নিজের পছন্দের খেলা হিসেবে বেছে নিয়ে নিয়মিত অনুশীলন ও কঠোর পরিশ্রম করে আসছেন তিনি। নানা প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে নিজের দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে ধীরে ধীরে বক্সিং অঙ্গনে নিজের অবস্থান তৈরি করছেন এই তরুণ।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত আন্তঃডিভিশন বক্সিং প্রতিযোগিতা-২০২৬-এ তিনি সিলেট বিভাগের প্রতিনিধিত্ব করেন। প্রতিযোগিতায় নিজের দক্ষতা, কৌশল ও আত্মবিশ্বাসের পরিচয় দিয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে জয় তুলে নেন জাহাঙ্গীর আলম রকি। তাঁর এই জয় শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার জন্যও গর্বের বিষয় বলে মনে করছেন স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা।
গাবী গ্রামের মানুষের প্রত্যাশা, জাহাঙ্গীর আলম রকির এই সাফল্য ভবিষ্যতে এলাকার আরও তরুণকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করবে। বিশেষ করে বক্সিংয়ের মতো সম্ভাবনাময় খেলায় গ্রামের তরুণদের আগ্রহ বাড়াতে তাঁর অর্জন অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।
স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা জানান, প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উঠে এসে বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে জয়লাভ করা সহজ নয়। এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের অনুশীলন, কঠোর পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস ও পরিবারের সহযোগিতা। জাহাঙ্গীর আলম রকির এই সাফল্য প্রমাণ করে, সুযোগ ও সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে গ্রামবাংলার তরুণরাও জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে পারে।
জাহাঙ্গীর আলম রকির এই অর্জনে তাঁর পরিবার, স্বজন, সহপাঠী, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং গাবী গ্রামের বাসিন্দারা আনন্দ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে ভবিষ্যতে আরও বড় পর্যায়ে সাফল্য অর্জনের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন তারা।
সিলেট বিভাগের হয়ে আন্তঃডিভিশন বক্সিং প্রতিযোগিতায় জয় পাওয়া জাহাঙ্গীর আলম রকির সামনে এখন আরও বড় স্বপ্ন। তাঁর লক্ষ্য ভবিষ্যতে বক্সিংয়ে নিজের দক্ষতাকে আরও শাণিত করে জাতীয় পর্যায়ে সুনাম অর্জন করা এবং দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনা।
ধর্মপাশার গাবী গ্রামের এই তরুণ বক্সারের সাফল্য যেন হয়ে ওঠে আরও বড় অর্জনের সূচনা—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের।
রফিকুল ইসলাম টিটু ( ধর্মপাশা ) সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি। 




















