সুনামগঞ্জের ধর্মপাশার ক্রীড়াঙ্গনে রেফারিংয়ে নিজের দক্ষতা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে ফুটবলপ্রেমীদের নজর কাড়ছেন জি এম ওবায়েদুর রহমান রিগান। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন—বাফুফের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এই রেফারি মাঠে প্রতিটি সিদ্ধান্তে দেখাচ্ছেন অসাধারণ দূরদর্শিতা, আত্মবিশ্বাস ও নিরপেক্ষতা।
ফুটবল মাঠে একজন রেফারির সিদ্ধান্তই অনেক সময় ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে পারে। এমন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পালন করে চলেছেন রিগান। ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তাঁর তীক্ষ্ণ নজর, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং নিয়ম-কানুনের প্রতি দৃঢ় অবস্থান প্রশংসা কুড়াচ্ছে খেলোয়াড়, কোচ ও দর্শকদের কাছ থেকে।
স্থানীয় ফুটবল অঙ্গনে নিয়মিত রেফারিংয়ের মাধ্যমে ইতোমধ্যে নিজের একটি আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন তিনি। মাঠে কোনো দলের প্রতি পক্ষপাত না করে পরিস্থিতি বিবেচনায় সঠিক সিদ্ধান্ত দেওয়ার চেষ্টা করেন রিগান। তাঁর রেফারিংয়ে ফুটবলের নিয়ম, শৃঙ্খলা ও খেলোয়াড়সুলভ আচরণকে দেওয়া হয় বিশেষ গুরুত্ব।
বাফুফের প্রশিক্ষণ তাঁর রেফারিং দক্ষতাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রতিটি ম্যাচে নিজেকে আরও পরিণত করে তুলছেন তিনি। বিশেষ করে কঠিন ও উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্তে ঠান্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে।
ধর্মপাশার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে জি এম ওবায়েদুর রহমান রিগান এখন শুধু একজন রেফারি নন, বরং স্থানীয় ফুটবলের সম্ভাবনাময় এক প্রতিনিধি। তাঁর দক্ষতা, নিষ্ঠা ও নিরপেক্ষতা নতুন প্রজন্মের তরুণদেরও ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত হতে অনুপ্রাণিত করছে।
স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, যথাযথ সুযোগ ও ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ পেলে রিগান ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে রেফারিং করার মাধ্যমে ধর্মপাশা তথা সুনামগঞ্জের নাম উজ্জ্বল করতে পারবেন। মাঠের প্রতিটি বাঁশিতে ন্যায়, প্রতিটি সিদ্ধান্তে নিরপেক্ষতা—এই আদর্শকে সামনে রেখে এগিয়ে যাচ্ছেন জি এম ওবায়েদুর রহমান রিগান।