
বন্ধুরা সাপোর্ট করেছিলাম মুসলিম ফুটবলার লামিন ইয়ামালকে।
বিশেষ করে তার ঈমানী শক্তি আর সৎসাহস এবং আল্লাহর প্রতি অগাধ বিশ্বস দেখে।
লামিন ইয়ামালকে একজন বিশ্ব বিখ্যাত বীর বললে ভুল হবে খাটো করে দেখা হবে বলে আমি মনে করি। বিশ্ব বিবেক জাগিয়ে দেওয়া একজন
ফুটবলার সুপারসনিক মহাবীর।
সে আমেরিকা ইসরাঈলের বুকে কাপন ধরিয়ে ফিলিস্তিনের পতাকা আকাশে উড়িয়েছে।মহান আল্লাহ তায়ালার উদ্দেশ্যে মাটিতে সিজদায় লুটিয়ে পড়েছেন।
মাত্র ১৯ বছর বয়সের একজন জগৎ বিখ্যাত মহাবীর ইয়ামাল ছাড়া এমন কাজ কেউ করতে পারেনা।
আমার দৃঢ় বিশ্বাস ও দোয়া ছিল তার জন্য।এমন একজন আল্লাহর খাঁটি ঈমানদার বান্দার কঠোর পরিশ্রম বৃথা যেতে পারেনা।
লামিন ইয়ামাল ও তার দল বিশ্বকাপ জিতেছেন।স্পেন দেশটির মানুষেরা মানবতার শত্রুদের বিপক্ষে।বিশ্ব শান্তির পক্ষে জোরালো ভুমিকা পালন করে।মুসলিম উম্মাহর জন্য চরম শিক্ষা। মানুষের পছন্দ অপছন্দ থাকতে পারে।
তবে মুসলমান হয়ে ইহুদি নাস্তিক ইসলামের শত্রুদের এবং দাজ্জালের ট্যাটু ব্যাবহারকারী অনুসারীদের সাপোর্ট ও সহায়তা করা কতটা যুক্তিযুক্ত মুসলমানদের তথা সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসীদের বিবেকের কাছে ছেড়ে দিলাম।
সর্বোপরি আমরা মানবতার বিপক্ষে নয়।যারা বিশ্বে মানবতার শত্রু,নিরহ মানুষ হত্যাকান্ড ঘটাচ্ছে মদদ দিচ্ছে আমরা তাদের বিপক্ষে মানবতার পক্ষে।
২০২৬ সালের নান্দনিক ফুটবল বিশ্বকাপ ফাইনালে মাতকরে মাত্র ১২০ মিনিটে একটি ফুটবল দলের ২৫ টি ফাইল ৬ টি হলুদ কার্ড ১ টি লাল কার্ড আর্জেন্টিনা ফুটবল দল এবং তাদের সাপোর্টারদের দুই গালে জুতার বাড়ি কিনা মেসির ভক্ত ফুটবল খেলা প্রিয় প্রাণীকুলের বিবেকের কাছে প্রশ্ন রেখে গেলাম।লিওনেল মেসির দল অনণ্য এক বিশ্ব রেকর্ড করেছে।যা ভবিষ্যতের জন্য ইতিহাস হয়ে থাকবে।
আল্লাহ তায়ালা বুঝবার তাওফিক দান করুন। ।
আমির হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর 























