
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নোয়াখালী সুবর্ণচর উপজেলা শাখায় ৪৮ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি আগামী ৩ মাসের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বুধবার ২২ জুলাই তারিখে নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রুবাইয়াত রহমান আরাফাত ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল হুদা বাপ্পি সাক্ষরিত ৪৮ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে কাঞ্চন মজুমদার কে আহবায়ক করে, ১৬ জনকে যুগ্ম আহবায়ক করে ও ৩১ জন কে সদস্য করে এ নবগঠিত কমিটি অনুমোদন করেন নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগ।
সাংগঠনিক কার্যক্রম কে সুসংগঠিত ও গতিশীল করার লক্ষ্যে ৪৮ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটিকে আগামী তিন মাসের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়।
নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের প্যাডে এক জরুরী সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটির নাম ঘোষণা করে বিশেষ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী
তৃণমূলের আস্তাভাজন হিসেবে পরিচিত ঢাকাতে অবস্থারত এমন এক নেতা এ প্রতিবেদক কে বলেন, যাদের দিয়ে সুবর্ণচর উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি গঠন করা হয়েছে নিশ্চয় তারা সংগঠন কে গতিশীল করতে ও সুবর্ণচর উপজেলাতে চাঁদাবাজি ও মব সন্ত্রাসী হামলা প্রতিহত করতে কাজ করে যাবে। এছাড়া সোসাল মিডিয়াতে এ কমিটি ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন সংগঠন থেকে কেউ কেউ অভিনন্দন জানাতেও দেখা গেছে।
২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশে সংঘটিত কোটা সংস্কার আন্দোলনে তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ভূমিকা এবং তাদের ঘিরে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এই আন্দোলনের সময় ছাত্রলীগ কে নিয়ে বিরোধিতাকারীদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পরস্পরবিরোধী তথ্য ও প্রচার চালানো হয়। এছাড়া আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে ব্যাপক সহিংসতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের মিথ্যা অভিযোগ ও তথ্য চিত্রায়িত করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে বলে সংগঠনটির শীর্ষ পর্যায় থেকে অভিযোগ করা হয়।
গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতিতে
অন্তর্বর্তীকালীন ইউনুস সরকার ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একতরফা অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করে তালিকাভুক্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। তখন এ স্বীদ্ধান্ত কে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনা সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা তখন
বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে বেআইনিভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে এমন দাবি করে সংগঠনটির শীর্ষ নেতারা এই সিদ্ধান্তকে সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেছেন। ডয়চে ভেলে বাংলায় তাদের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি ও বক্তব্য তুলে ধরেছেন।
ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন গণমাধ্যমে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এই রাজনৈতিক ও অসাংবিধানিক সিদ্ধান্ত কে সরাসরি প্রত্যাক্ষান করেন।
রাসেদ বিল্লাহ নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি। 

















