০৭:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্পেনের জয়ে সেজদা দেওয়ায় শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী যুবককে মারধুর করেন আর্জেন্টিনার সমর্থকরা

 

প্রিয় দল স্পেনের বিজয়ে উচ্ছসিত হয়ে সেজদা দেওয়ায় শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী আকবর হোসেন ওরফে জনিকে (২৩) কে মারধুরের অভিযোগ উঠেছে। আহত জনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের শিবপুর ইউনিয়নের কনিকাড়া গ্রামের শাহনূর মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, গত ১৯ জুলাই রাতে বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল ম্যাচে প্রিয় দল স্পেনের জয়ে উচ্ছসিত হয়ে জনি সেজদা করলে আর্জেন্টিনার সমর্থক একিই গ্রামের আব্দুল বাতেনের ছেলে আব্দুল্লাহ (২৭) ও আব্দুল আওয়ালের ছেলে রিফাত (২৩) তাকে মারধুর করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় জনিকে উদ্ধার করে নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

আকবরের পালক দাদি সেলিনা বেগম (৮০) কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আকবরের মা নেই। ছোটবেলা থেকে আমি তাকে লালন-পালন করেছি। সে শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী। শুধু একটি সেজদা দেওয়ার কারণে তাকে এভাবে মারধর করা হবে, তা কখনো ভাবিনি। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি বলে জানা গেছে। তবে অভিযোগকারিদের দাবি তারা শীঘ্রই এ ব্যাপারে নবীনগর থানায় মামলা করবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় পোস্ট

হাওরাঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে সরকারের পক্ষ থেকে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে–  প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

স্পেনের জয়ে সেজদা দেওয়ায় শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী যুবককে মারধুর করেন আর্জেন্টিনার সমর্থকরা

আপডেট সময়: ০৯:২০:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

 

প্রিয় দল স্পেনের বিজয়ে উচ্ছসিত হয়ে সেজদা দেওয়ায় শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী আকবর হোসেন ওরফে জনিকে (২৩) কে মারধুরের অভিযোগ উঠেছে। আহত জনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের শিবপুর ইউনিয়নের কনিকাড়া গ্রামের শাহনূর মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, গত ১৯ জুলাই রাতে বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল ম্যাচে প্রিয় দল স্পেনের জয়ে উচ্ছসিত হয়ে জনি সেজদা করলে আর্জেন্টিনার সমর্থক একিই গ্রামের আব্দুল বাতেনের ছেলে আব্দুল্লাহ (২৭) ও আব্দুল আওয়ালের ছেলে রিফাত (২৩) তাকে মারধুর করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় জনিকে উদ্ধার করে নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

আকবরের পালক দাদি সেলিনা বেগম (৮০) কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আকবরের মা নেই। ছোটবেলা থেকে আমি তাকে লালন-পালন করেছি। সে শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী। শুধু একটি সেজদা দেওয়ার কারণে তাকে এভাবে মারধর করা হবে, তা কখনো ভাবিনি। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি বলে জানা গেছে। তবে অভিযোগকারিদের দাবি তারা শীঘ্রই এ ব্যাপারে নবীনগর থানায় মামলা করবেন।