১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিনা অনুমতিতে দুই দিন অনুপস্থিত শিক্ষক, ব্যবস্থা নিতে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন

মোঃ রফিকুল ইসলাম টিটু।
ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার শরিশ্যাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষক বিনা অনুমতিতে দুই দিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
জানা গেছে, শরিশ্যাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মুক্তা খানম গত ১৭ মে থেকে ১৮ মে পর্যন্ত কোনো ধরনের পূর্বানুমতি বা ছুটি গ্রহণ না করে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হয় এবং শিক্ষা কার্যক্রমের স্বাভাবিক শৃঙ্খলা নষ্ট হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চৌধুরী তোহিদুন নবী স্বাক্ষরিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩ এর (খ) ধারা অনুযায়ী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশ অমান্য করা ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য হয়। তাই বিষয়টি সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে হাজিরা খাতার অনুলিপিও সংযুক্ত করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। প্রতিবেদনের অনুলিপি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সুনামগঞ্জ ও অফিস নথিতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মুক্তা খানম জানান, প্রধান শিক্ষকের নিকট ছুটির কথা বললে উনি ছুটি দেননি। তবে আমার ছুটির প্রয়োজন ছিলো। প্রধান শিক্ষক ছুটি না দেয়ায় আমি উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার এর নিকট যোগাযোগ করি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চৌধুরী তৌহিদুন নবী জানান, মুক্তা খানম ছুটি না নিয়েই বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন। উনি নিয়ম নীতির কোনো তোয়াক্কা করেন না। কিছুদিন পূর্বে আমি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে উপজেলায় দায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও মিথ্যাচার করেন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দ্বীন ইসলাম জানান, মুক্তা খানমের ছুটির কোন দরখাস্ত পাইনি। প্রধান শিক্ষকের চিঠির প্রেক্ষিতে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় পোস্ট

দুই বছরের ভালোবাসা, বিয়ের পরও হলো না সংসার অসমাপ্ত রয়ে গেল সফর-সেলিনার গল্প

বিনা অনুমতিতে দুই দিন অনুপস্থিত শিক্ষক, ব্যবস্থা নিতে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন

আপডেট সময়: ০১:৫৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

মোঃ রফিকুল ইসলাম টিটু।
ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার শরিশ্যাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষক বিনা অনুমতিতে দুই দিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
জানা গেছে, শরিশ্যাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মুক্তা খানম গত ১৭ মে থেকে ১৮ মে পর্যন্ত কোনো ধরনের পূর্বানুমতি বা ছুটি গ্রহণ না করে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হয় এবং শিক্ষা কার্যক্রমের স্বাভাবিক শৃঙ্খলা নষ্ট হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চৌধুরী তোহিদুন নবী স্বাক্ষরিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩ এর (খ) ধারা অনুযায়ী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশ অমান্য করা ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য হয়। তাই বিষয়টি সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে হাজিরা খাতার অনুলিপিও সংযুক্ত করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। প্রতিবেদনের অনুলিপি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সুনামগঞ্জ ও অফিস নথিতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মুক্তা খানম জানান, প্রধান শিক্ষকের নিকট ছুটির কথা বললে উনি ছুটি দেননি। তবে আমার ছুটির প্রয়োজন ছিলো। প্রধান শিক্ষক ছুটি না দেয়ায় আমি উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার এর নিকট যোগাযোগ করি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চৌধুরী তৌহিদুন নবী জানান, মুক্তা খানম ছুটি না নিয়েই বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন। উনি নিয়ম নীতির কোনো তোয়াক্কা করেন না। কিছুদিন পূর্বে আমি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে উপজেলায় দায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও মিথ্যাচার করেন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দ্বীন ইসলাম জানান, মুক্তা খানমের ছুটির কোন দরখাস্ত পাইনি। প্রধান শিক্ষকের চিঠির প্রেক্ষিতে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।