১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শায়েস্তাগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: গাঁজা সেবনের দায়ে যুবকের এক বছরের কারাদণ্ড

 

 

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে গাঁজা সেবন, প্রয়োগ ও ব্যবহারের অপরাধে আফিল উদ্দিন জাদু (৩০) নামে এক যুবককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

রোববার (১৯ জুলাই ২০২৬) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার লেঞ্জাপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত আফিল উদ্দিন জাদু লেঞ্জাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতা আমির হোসেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৯(১)(স) ও ৩৬(১) ধারায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। আদালত তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর তাকে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানোর জন্য সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফজলে রাব্বানী চৌধুরী। অভিযানে শায়েস্তাগঞ্জ থানার এসআই কাশেমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল উপস্থিত থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করে।

অভিযান শেষে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আফিল উদ্দিন জাদুর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে গরু চুরি, ডাকাতি, মাদকদ্রব্যের লেনদেন ও মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া এলাকায় সংঘটিত বিভিন্ন চুরির ঘটনার সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এই প্রতিবেদনের সময় পর্যন্ত আদালতের পৃথক কোনো রায় বা দণ্ডের তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তার কর্মকাণ্ডে এলাকাবাসী আতঙ্কে ছিলেন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তার কারাদণ্ড হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসবে এবং অপরাধ প্রবণতা কমবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে সফলভাবে অভিযান পরিচালনা করায় ইউএনও মো. ফজলে রাব্বানী চৌধুরী, ভ্রাম্যমাণ আদালতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ এবং শায়েস্তাগঞ্জ থানার পুলিশ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান এলাকাবাসী।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালত ও মাদকবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।

ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় পোস্ট

দুই বছরের ভালোবাসা, বিয়ের পরও হলো না সংসার অসমাপ্ত রয়ে গেল সফর-সেলিনার গল্প

শায়েস্তাগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: গাঁজা সেবনের দায়ে যুবকের এক বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময়: ০৫:৩০:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

 

 

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে গাঁজা সেবন, প্রয়োগ ও ব্যবহারের অপরাধে আফিল উদ্দিন জাদু (৩০) নামে এক যুবককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

রোববার (১৯ জুলাই ২০২৬) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার লেঞ্জাপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত আফিল উদ্দিন জাদু লেঞ্জাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতা আমির হোসেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৯(১)(স) ও ৩৬(১) ধারায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। আদালত তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর তাকে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানোর জন্য সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফজলে রাব্বানী চৌধুরী। অভিযানে শায়েস্তাগঞ্জ থানার এসআই কাশেমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল উপস্থিত থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করে।

অভিযান শেষে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আফিল উদ্দিন জাদুর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে গরু চুরি, ডাকাতি, মাদকদ্রব্যের লেনদেন ও মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া এলাকায় সংঘটিত বিভিন্ন চুরির ঘটনার সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এই প্রতিবেদনের সময় পর্যন্ত আদালতের পৃথক কোনো রায় বা দণ্ডের তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তার কর্মকাণ্ডে এলাকাবাসী আতঙ্কে ছিলেন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তার কারাদণ্ড হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসবে এবং অপরাধ প্রবণতা কমবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে সফলভাবে অভিযান পরিচালনা করায় ইউএনও মো. ফজলে রাব্বানী চৌধুরী, ভ্রাম্যমাণ আদালতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ এবং শায়েস্তাগঞ্জ থানার পুলিশ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান এলাকাবাসী।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালত ও মাদকবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।