ঈদগাঁওতে ব্যাংক থেকে টাকা উধাও, থানায় জিডি 

লেখক: আবু হেনা সগর ঈদগাঁও প্রতিনিধি
প্রকাশ: অক্টোবর ২৫, ২০২৬

 

কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ের ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি) শাখায় এক গ্রাহকের ব্যাংক হিসাব থেকে ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সকালে চেক নিয়ে টাকা তুলতে গিয়ে হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ নেই বলে জানতে পারেন গ্রাহক। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগকারী ডা.মোহাম্মদ মুজিবুল হক কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ। তাঁর স্থায়ী বাড়ি পেকুয়ার শিলখালী ইউনিয়নে। বর্তমানে তিনি ঈদগাঁও বাজারের দক্ষিণ পাশস্থ বঙ্কিমবাজারে বসবাস করেন বলে জানা গেছে।

অভিযোগ সূত্র মতে, গতকাল সকালে নিজের ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা উত্তোলনের জন্য এক অধস্তন কর্মচারীকে চেক দিয়ে ইউসিবি ব্যাংকের ঈদগাঁও শাখায় পাঠান প্রিন্সিপ্যাল ডা. মুজিবুল হক। তবে ব্যাংকে গিয়ে ওই কর্মচারী জানতে পারেন, হিসাবে উত্তোলনযোগ্য পর্যাপ্ত টাকা নেই। বিষয়টি তাঁকে জানানো হলে তিনি কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ থেকে সরাসরি ব্যাংকে ছুটে আসেন।

ডা. মুজিবুল হকের অভিযোগ, তাঁর অজান্তেই ব্যাংক হিসাব থেকে ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, সংশ্লিষ্ট লেনদেনের বিষয়ে তিনি কোন ওটিপি বা এসএমএস পাননি। এমনকি তিনি নিজে কোন অনুমোদনও দেননি বলে জানিয়েছেন। কীভাবে এবং কার মাধ্যমে এই বিপুল অঙ্কের টাকা হিসাব থেকে স্থানান্তরিত হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

ব্যাংকে গিয়ে বিষয়টি জানার পর শাখা ব্যবস্থাপকের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা পাননি বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে যথাযথ সহায়তা না পেয়ে তাঁকে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরে এ ঘটনায় ঈদগাঁও থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন ভুক্তভোগী ডা. মুজিব। জিডি নম্বর ৯৭৪; ট্র্যাকিং নম্বর DEL665।

একজন গ্রাহকের হিসাব থেকে এত বড় অঙ্কের অর্থ কীভাবে স্থানান্তরিত হলো, লেনদেনটি কোন মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে এবং এতে কোন অননুমোদিত প্রবেশ বা নিরাপত্তাজনিত ত্রুটি ছিল কিনা—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়। অভিযোগের সত্যতা নিরূপণে ব্যাংকের লেনদেনের নথি ও ডিজিটাল তথ্য যাচাই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে ভোক্তভোগী ডা: মুজিবুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেন এ প্রতিনিধিকে।
তবে এ রিপোর্ট লেখা পযন্ত ইউসিবি ব্যাংক কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শিরোনাম